একাধিক FIR-এ জেরবার! দ্রুত শুনানির আবেদন তৃণমূল বিধায়কের, না বলে দিল হাইকোর্ট

Published:

Dilip Mondal

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আরও বিপাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল (Dilip Mondal)। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তবে সেখানেই ঘাড়ধাক্কা খেতে হল তৃণমূল বিধায়ককে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাঁর আবেদন গ্রহণই করলেন না। যদিও দিলীপের একটি মামলার শুনানি আগামী শুক্রবার হতে পারে বলেই জানানো হয়েছে আদালতের তরফ থেকে।

হাইকোর্টে ঘাড়ধাক্কা খেলেন তৃণমূল বিধায়ক

রাজ্যে সরকারের পরিবর্তন হতেই তোলাবাজি থেকে শুরু করে দুর্নীতি, হুমকি, ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি অভিযোগে পুলিশ দিলীপ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। এমনকি বিভিন্ন অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মামলা। মে মাস থেকেই শ্রীঘরে রয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। তবে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৪টি এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিলীপ মণ্ডলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর বক্তব্য, দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়ে চলেছে। এমনকি বিভিন্ন অভিযোগে প্রতিদিন একটি করে এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৯টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সেই কারণে দ্রুত শুনানির প্রয়োজন।

এদিন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই আবেদন জানিয়েছিলেন আইনজীবী কিশোর দত্ত। তবে বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণই করেননি। এমনকি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দিলীপের একটি মামলার শুনানি হতে পারে আগামী শুক্রবার। তাও শর্তসাপেক্ষে। তার আগে কোনও শুনানি সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি তালিকা অনুযায়ী আবেদন শোনা হবে উচ্চ আদালতের তরফ থেকে।

আরও পড়ুন: বাবা হলেন অনুপম রায়, পুত্র নাকি কন্যা সন্তান? জানালেন গায়ক নিজেই

প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ভোটে ভরাডুবির পর দিলীপ মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগ দায়ের হয়। যদিও নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বিষ্ণুপুরে জিতেছিলেন তিনি। সেখানে বিজেপির প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন দিলীপ। তবে ভোটের ফল প্রকাশের পর গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি তাঁর পুত্রকে পুলিশ প্রথমে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল, যেখানে দিলীপকে অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদেরকে হুমকি দিতে দেখা যায়। তারপর দীর্ঘ তল্লাশির পর পুরীর একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তাঁর আবেদন শুনতে নারাজ হাইকোর্ট।

google button