বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের ভাগ্যাকাশে নেমে এসেছে দুর্যোগের কালো ছায়া। বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বারবার কট্টরপন্থীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন ওপার বাংলার সংখ্যালঘুরা। এবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে কলকাতার (Kolkata) রাজপথে নেমেছে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান ও NCPI। শুধু তাই নয়, এদিন চিন্ময় প্রভুকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাও করেন তাঁরা!
বাংলাদেশের হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচি সনাতনীদের
শনিবার, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হওয়া অত্যাচারের প্রতিবাদে এবং চিন্ময় প্রভুর জেল মুক্তির দাবি নিয়ে পূর্বনির্ধারিত সময়ে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয় মিছিল। ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য সদস্য থেকে শুরু করে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়ার নেতা এবং সমর্থকরা। এদিন ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন শতাধিক সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী।
বলাই বাহুল্য, শিয়ালদহ থেকে মিছিল শুরু হয়ে তা ক্রমশ এগতে থাকে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে। যদিও ওই বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে ঢোকার আগেই অন্তত 300 গজ দূরে মিছিলটি আটকায় কলকাতা পুলিশ। যদিও পরবর্তীতে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টা করেন। তাতেই পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি খানিকটা বেগতিক হয়ে গেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন সংলগ্ন রাস্তায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন: সমুদ্রের নিচ থেকে উঠে এল বিশাল তিমি, ধাক্কা মারে ডুবিয়ে দিল ৫২ ফুটের বিলাসবহুল জাহাজ
সূত্রের যা খবর, বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে ঢোকার মুখে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়ায় পরবর্তীতে বাংলাদেশের কমিশনের অনুমতি নিয়ে পাঁচজন আন্দোলনকারীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। তাঁরাই বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে ওপার বাংলায় হওয়া সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বন্ধ এবং চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর জেল মুক্তির দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়ে এসেছেন। যদিও স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরেও কমিশনের বাইরে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান সাধু সন্ন্যাসী থেকে শুরু করে অন্যান্য সনাতনীরা।










