লাগবে না ভাড়া! বর্ধমানে পুজোয় চলবে ‘বন্দে ভারত টয় ট্রেন’

Published:

Vande Bharat Toy Train

অনন্যা সরকার, বর্ধমান: ঢাকে কাঠি পড়তে আর বেশিদিন বাকি নেই (Durga Puja)। মাকে বরণ করে ঘরে তোলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আপামর বাঙালি। পুজোর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। কুমারটুলিতে চরম ব্যস্ততা, পুজো মণ্ডপগুলোতেও একইরকম ব্যস্ততার ছবি। এবছর কোন ক্লাব কী চমক নিয়ে আসছে, তা জানতে বঙ্গবাসীর আগ্রহ তুঙ্গে। এরই মধ্যে এবার শোনা যাচ্ছে পুজো চলাকালীন ‘বন্দে ভারত টয় ট্রেন’ (Vande Bharat Toy Train) চলবে বর্ধমানে। তিন কোচের এই বিশেষ ট্রেনটি এখন কল্যাণীর কারখানায় নির্মাণাধীন। দর্শনার্থীরা প্যান্ডেল পরিদর্শনের সময় এই ট্রেনে চড়তে পারবেন। এতে জেনারেল ও ভিআইপি – দুই কোচই থাকবে। তবে ভারতীয় রেল নয়, ট্রেনটি নিয়ে আসছে বর্ধমানের এক পুজো কমিটি। 

বর্ধমানের এক পুজো মণ্ডপ সাজছে ‘বন্দে ভারত’ থিমে 

এবছর ৭৬তম বর্ষে পড়লো বর্ধমানের অরবিন্দপল্লী সর্বজনীনের দুর্গোৎসব। এবারে তাদের মণ্ডপের মূল ভাবনা ‘বাহন বন্দে ভারত: ভূস্বর্গে মা’। প্যান্ডেলটি ভারতীয় রেলের জনপ্রিয় ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’-এর আদলে তৈরি করা হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল, এই মণ্ডপে একটি আস্ত ট্রেনের ব্যবস্থা করছেন পুজো উদ্যোক্তারা। দর্শনার্থীরা এই ট্রেনে চড়তেও পারবেন।

অরবিন্দপল্লী সর্বজনীনের প্যান্ডেলের সামনে ১৫০ মিটার দীর্ঘ রেললাইন পাতার কাজ চলছে।  এর ওপর দিয়েই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের আদলে তিন বগির একটি টয় ট্রেন চালানো হবে। ট্রেনটির দুটি কামরা হবে জেনারেল, আর একটি হবে ভিআইপি বগি। বর্তমানে কল্যাণীর একটি ওয়ার্কশপে ট্রেনটি তৈরি করা হচ্ছে এবং মহালয়ার দিন এটিকে পূজা মণ্ডপে নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জুলুম খাটিয়ে পুজোর চাঁদা তুললেই জানান অভিযোগ, জারি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর

পুজো কমিটির সম্পাদক অরুনাভ ঘোষ জানান, এবারে তাদের পুজোর বাজেট প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা। মন্ডপের ভিতরের সাজ-সজ্জার পাশাপাশি, প্যান্ডেলের সামনের রেললাইন পাতার কাজও এখন পুরোদমে চলছে। পুজোর দিনগুলোতে এই ট্রেনে চড়ার জন্য দর্শনার্থীদের কাছ থেকে কোনও ভাড়া নেওয়া হবে না, তবে তাদের সুশৃঙ্খলভাবে সারিবদ্ধ হয়ে এই ট্রেনে উঠতে হবে। আয়োজকরা মনে করছেন, তাদের এবছরের অভিনব এই থিমটি বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করবে।