সহেলি মিত্র, কলকাতা: পুজোর মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মূলত বকেয়া ডিএ ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে একটি বিশেষ দাবি জানিয়ে আসছিলেন সরকারি কর্মীরা। অবশেষে সেই দাবি মেনে নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমনিতেই বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case) নিয়ে জলঘোলার শেষ নেই। দুর্গাপুজোর আগে সকলের অ্যাকাউন্টে বকেয়া টাকা মিলবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মচারী থেকে শুরু করে কেএমসি এলাকার অনেকেই এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ। কবে সেই টাকা সকলের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে সেটাও জানা যায়নি। এরই মধ্যে সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে সকলকে চমকে দিল। সরকারের অর্থ দফতরের তরফে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। “কলকাতায় ট্রেজারি অফিস” (Treasury Office)-এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ডিএ ইস্যুতে বড় দাবি মেনে নিল সরকার
কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ডিএ ইস্যুতে “কলকাতায় ট্রেজারি অফিস”-র অনুমোদন দিল সরকার। তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে জানান, ‘𝐅𝐢𝐧𝐚𝐧𝐜𝐞 থেকে 𝟑𝟕𝟒𝟎-𝐅 (𝐲) 𝐝𝐭. 𝟎𝟔.𝟏𝟎.𝟐𝟔 একটি অর্ডার প্রকাশিত হয়।যা দৃষ্টিগোচর হয়। কলকাতার পেনশনারদের বকেয়া ডিএ পেতে যে হয়রানি সেই প্রেক্ষিত আমরা দাবি জানিয়েছিলাম যে জেলাগুলোর মতো কলকাতাতেও ট্রেজারি অফিস করা হোক। তার মান্যতা পেল।’
ডিএ না পেয়ে হতাশ হাজার হাজার পেনশন প্রাপক
পুজোর আগেও বকেয়া ডিএ পেলেন না হাজার হাজার পেনশনার বলে দাবি করেছেন মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, ‘কেএমসি এলাকার মোট ১১টি ব্যাঙ্ক থেকে ০১/১০/২৬ পর্যন্ত মোট ৪১,৯৭৭ জন পেনশনারের মধ্যে মাত্র ২১,৭৮৬ জনের হাতে ৬০৫ পয়েন্ট অনুযায়ী বকেয়া ডিএ তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের কী দোষ? কেন তাদের আজও দেওয়া হচ্ছে না? অতি দ্রুত বাকিদের বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে।’
আরও পড়ুনঃ ফরেক্স রিজার্ভে বিরাট পতন! এক মাসেই খোয়া গেল ৫০ বিলিয়ন ডলার
উল্লেখ্য, কেএমসি এলাকার ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিয়ারনেস রিলিফ (DR)-এর আনুমানিক পরিমাণের ৫০ শতাংশ দেওয়া হচ্ছে। বকেয়া ডিএ মামলাটি আগামী ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য উঠবে। ওই শুনানিতে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বঞ্চনার বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে ডিএ মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ।










