সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke) সহ অন্যান্যরা। দিল্লির পুলিশ হেফাজতকে থেকে মুক্তি পাওয়ার পর অভিজিৎ তাঁর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুপুর ২টোয় সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কা সংবাদ সম্মেলন করবেন। তবে যেহেতু গতকাল তাঁর ঠাকুমা প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর শেষকৃত্য এখনও সম্পন্ন হয়নি, তাই তিনি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলিতে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
গ্রামে যাচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে
অভিজিৎ, সৌরভ এবং আশুতোষ শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দিল্লিতে এসে পৌঁছন আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য। তবে ফ্লাইট থেকেই তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। এরপর তিনজনকে আলাদা আলাদা জায়গায় রাখা হয়। রবিবার তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে এক ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। ৫০,০০০ টাকার বিনিময়ে জামিন দেওয়া হয় তিন সিজেপি নেতাকে।
তবে গ্রামে ফেরার উদ্দেশ্যে অভিজিৎ বলেন, স্বৈরাচারের অবসান শুরু হয়েছে এবং ১০ অক্টোবর স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সিজেপি জানিয়েছে, প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের জন্য দিল্লি পুলিশের দ্বারা প্রায় ২৪ ঘণ্টা অবৈধভাবে আটক থাকার পর দিল্লির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিজেপি নেতা অভিষেক দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কাকে মুক্তি দেয়। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অভিজিৎ লেখেন, “আরশোলারা কখনও মরে না।” এর আগে দিল্লি পুলিশ এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছিল, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং আদালতে হাজির করানো হয়।
আরও পড়ুন: বাংলা-হিন্দি মেশানো বাক্যে দুর্গাপুজোর বিজ্ঞাপনে! ফের কাঠগড়ায় কলকাতা পুরসভা
উল্লেখ্য, গতকাল দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য রাজ্যের মোট চারজন মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করা হয়। তার পাশাপাশি বামপন্থী কর্মী এবং ছাত্র-যুবদের আটক করে পুলিশ। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০ জনকে ধরপাকড় করা হয় গতকাল।










