ভারতে হামলা করতে এসে ‘মকসদ’ ভুলে ‘হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট’ করাল পাকিস্তানি জঙ্গি

Published:

Lashkar-e-Taiba

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে একাধিক সন্ত্রাসী। এবার সেই তালিকায় জুড়ল পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই তইবার (Lashkar-e-Taiba) এক সদস্যের নামও। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করার পর শ্রীনগর পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে পাক জঙ্গি সংগঠনের এক সদস্য। সূত্রের খবর, ওই জঙ্গির নাম মহম্মদ উসমান জাট। জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরে স্লিপার সেল প্রস্তুত করে ভারতে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই জঙ্গিকে।

শ্রীনগর পুলিশের জালে পাক জঙ্গি

সূত্র মারফত খবর, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্করের হয়ে কাজ করত মহাম্মদ উসমান নামক ওই ধৃত জঙ্গি। জানা যায়, বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতে বড়সড় জঙ্গি হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল সে। তদন্তকারীদের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে অনুপ্রবেশের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে ফেলেছিল ওই জঙ্গি। একেবারে ছদ্মনামে সন্ত্রাসী হামলার ছক কষছিল সে।

তদন্তকারীদের দাবি, জেরা করার পর পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য মহম্মদ স্বীকার করে নিয়েছে সে দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে। ওই জঙ্গি এও স্বীকার করে, দীর্ঘ সময় ধরে চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছিল সে। মূলত সে কারণেই শ্রীনগরের একটি ক্লিনিকে নিজের চুল প্রতিস্থাপনের জন্য গিয়েছিলেন। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে জানিয়েছে, সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবির থেকে তিনি জানতে পেরেছিলেন, কাশ্মীরীদের জীবনযাপন তার থেকে একেবারে ভিন্ন।

অবশ্যই পড়ুন: সস্তায় এসিতে সৈকত নগরী ভ্রমণ! শুরু হল শ্রীরামপুর-দিঘা বাস, জানুন রুট ও ভাড়া

প্রসঙ্গত, জাতীয় সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে খবর, পাকিস্তানি জঙ্গি মহম্মদ জাট উপত্যকার উত্তরাঞ্চল দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করেছিলেন। একই সাথে তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই সন্ত্রাসী বলেছে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন লস্কর ই তইবা তাঁকে ভারতে ধারাবাহিক হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ পালন করতেই সীমান্ত পার হয়েছিল সে। তবে জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের সাথে মেশার পর নিজের উদ্দেশ্য ভুলে গিয়েছিল বলেই দাবি করে ওই জঙ্গি। একই সাথে তিনি এও স্বীকার করে যে, দীর্ঘদিন ধরে চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছিলেন। যার ফলে একটা সময় নিজের আত্মবিশ্বাস একেবারে হারিয়ে ফেলেছিল।

google button