চিকেন নেকের কাছে ড্রোন কারখানা! তুরস্কের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কী করতে চাইছে বাংলাদেশ?

Published:

Bangladesh Drone Factory

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নতুন করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত (India)। তবে দোনোমোনো করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান! অন্যান্য দেশের প্রধানমন্ত্রীদের সাথে দেখা করলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে এখনও সাক্ষাৎ করেননি তিনি। ভারতে আসবেন বলেও সফর স্থগিত রেখেছেন ওপার বাংলার প্রধান। এমতাবস্থায়, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের একটা দীর্ঘ ফাঁক থেকেই যাচ্ছে। এমতাবস্থায় উঠে আসছে বড় খবর। শোনা যাচ্ছে, এবার বাংলাদেশ (Bangladesh) চিন ও তুরস্কের সাহায্য নিয়ে এমন কিছু করতে চলেছে যা ভারতের মাথা ব্যথা বাড়িয়ে দেবে!

কী পরিকল্পনা বাংলাদেশের?

ইন্ডিয়া টুডের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, একদিকে ভারত যেখানে বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চাইছে ঠিক সেই পর্বে বাংলাদেশ চাইছে ড্রোন যুদ্ধের জন্য নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে। বলাই বাহুল্য, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে ড্রোন সহ প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল তুরস্ক। ভারতের কাছ থেকে সব রকম উপকার নেওয়া এই দেশ নাকি এবার ভারত সীমান্তের একেবারে গা ঘেঁষে একটি ড্রোন নির্মাণকারী কারখানা (Drone Factory) তৈরির জন্য বাংলাদেশের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে।

যা খবর, ভারত সীমান্তের একেবারে কাছে বাংলাদেশের বগুড়া শহরে এই ড্রোন কারখানা তৈরির পরিকল্পনা করছে তুর্কি। যা ভারতের মাথা ব্যথা বাড়াবে সে কথা বলাই যায়। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের এই শহর ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন নেক থেকে মাত্র 75 থেকে 120 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনও দেশের পক্ষে ড্রোনের কারখানা তৈরি করা মোটেই মুখের কথা নয়। তাই বস্ত্র খাতের অন্যতম বড় এবং প্রভাবশালী শক্তি বাংলাদেশ তাদের বস্ত্র পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়েই ড্রোন কারখানা নির্মাণ করতে পারে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় ঘেরাও করা হল বাংলাদেশের হাইকমিশন

যে কথা না বললেই নয়, ড্রোন প্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশের তুলনায় অনেক এগিয়ে ভারত। আধুনিক যুদ্ধের জন্য প্রতিনিয়ত প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়া দিল্লি। এমতাবস্থায়, পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্কের হাত ধরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ড্রোন কারখানার তৈরির মধ্যে দিয়ে নিজেদের আধুনিক যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি তৈরি করার চেষ্টা করছে। যা একদিক থেকে ভারতের জন্য বেশ উদ্বেগের! অনেকেই মনে করছেন, এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের পেছনে চিন, তুরস্কের পাশাপাশি মদত রয়েছে পাকিস্তানেরও।

google button