সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রেজিনগরে উপনির্বাচনের পরেই আক্ষেপ প্রকাশ করে রাজনীতি ছাড়বেন বলে জানিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। প্রত্যাশা মতোই আজ বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন বিজেপির প্রার্থী শাখারভ সরকার। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথও ১ লক্ষের বেশি ব্যবধানে জয়লাভ করে বিধানসভায় যাচ্ছেন। ফলাফলের নিরিখে রেজিনগরে অনেকটাই পিছিয়ে হুমায়ুনপুত্র। তবে নিজের আসন হাতছাড়া হওয়ায় এবার দুবাই চলে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন হুমায়ুন।
রাজনীতি ছেড়ে দুবাই যাচ্ছেন হুমায়ুন কবীর?
এদিন গণনার শুরু থেকে দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে ছিলেন বিজেপির প্রার্থীরা। শেষ হল বিপুল ব্যবধানে জয়লাভের মাধ্যমেই। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরে বিজেপির প্রার্থী শাখারভের ভোটের মার্জিন ক্রমশ বাড়তে থাকায় প্রথম থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন হুমায়ুন কবীর। শেষমেষ নিজের ছেলে গোলাম নবী আজাদের পরাজয়ের পর তিনি জানিয়ে দেন যে ২০২৮ সালের পর দুবাই চলে যাবেন। রাজনীতি ছেড়ে সেখানেই থাকবেন তিনি।
মিডিয়ার সামনে এদিন এজেইউপি নেতা বলেন, “যে কটা দিন বেঁচে থাকব, দুবাই গিয়ে সেখানে খাবদাবো, ঘুরব। সমুদ্রের যে আবহাওয়া সেটা উপভোগ করব। সেখানেই কবরস্থ হব। এটাই ঠিক করেছি। এত অবিচারকারী, এত জুলুমকারীদের সঙ্গে আমার পোষাবে না। এখানে আমি আর পারছি না। ক্লান্ত হয়ে গেছি।” হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি শুধু বাবরি মসজিদের জন্য এখানে থেকে যাচ্ছি। আমি মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা, ৬৪ বছরের স্থায়ী বাসিন্দা।”
আরও পড়ুন: “ভোটার ৭৭২, বিজেপির ভোট ৯০৯” রেজিনগর উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিস্ফোরক অভিষেক
হুমায়ুন বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে এটাই আবেদন করব যে ২০২৮ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেন করার পর এক মাসের মধ্যে আমি গোল্ডেন ভিসা নিয়ে ১০ বছরের জন্য দুবাইয়ের বাসিন্দা হব। অনেক শক্তিশালী মানসিকতা নিয়ে আমি ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। এখনকার পুলিশ প্রশাসন কোনও কিছুর ধার ধারছে না। তারা গত দুই মাসের মধ্যে ৬৪ জন ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে মারধর, ভাঙচুর করে তুলে নিয়ে গেছে। সবকটা মিথ্যা কেস। তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”










