পুজোয় নতুন জামা মাত্র ১০ টাকায়! রাজ্যে ‘নমো মল’ চালু করল বিজেপি

Published:

NAMO MALL

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: পুজোর (Durga Puja) বাজারে নতুন জামাকাপড় কেনার সামর্থ্য নেই, এমন পরিবারের সংখ্যা কম নয়। অর্থের অভাবে অনেকেই দু-বেলা ঠিকমতো খেতে পান না। সেখানে নতুন জামা কেনা তাদের কাছে বিলাসিতা। সেই মানুষগুলির কথা মাথায় রেখে পানিহাটিতে (Panihati) চালু হল অভিনব ‘নমো মল’ (Namo Mall)। মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে এখান থেকে পুজোর পোশাক কেনার সুযোগ মিলছে। বৃহস্পতিবার পানিহাটির এইচবি টাউনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ অন্যান্য বিজেপির নেতারা।

কতদিন ধরে চলবে এই কর্মসূচি?

এই উদ্যোগটি কিন্তু শুধুমাত্র একদিনের জন্য নয়। উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত প্রায় ১০ হাজার দুঃস্থ মানুষের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মানুষের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী জামাকাপড়ের সংখ্যাও বাড়ানো হবে। জানা যাচ্ছে, ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই ‘নমো মল’ আগামী রবিবার পর্যন্ত চালু থাকবে।

এখানে বলে রাখা ভালো, মল বলতেই অনেকে এটিকে শপিংমল ভাবতে পারেন। এটি কিন্তু স্থায়ী কোনও শপিং মল নয়। অস্থায়ী পরিকাঠামোর মাধ্যমে ১০ টাকার বিনিময়ে পুজোর পোশাক বিক্রির এই ব্যবস্থার নামই দেওয়া হয়েছে নম মল। ৫ থেকে ৫০ বছর বয়সের পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের জন্য এখানে জামাকাপড় রাখা হয়েছে। ১০ টাকার কুপনের মাধ্যমে জামা, শাড়ি-সহ বিভিন্ন পোশাক নেওয়ার সুযোগ থাকছে। মূল লক্ষ্য, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা দুঃস্থ পরিবারগুলির মুখে হাসি ফোটানো।

পানিহাটিতে এই উদ্যোগে বিজেপি কর্মী জয় সাহার নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও বিক্রম বণিক, অমিত দাস, সুমন মুখোপাধ্যায় ও শুভঙ্কর গুহর প্রমুখ ব্যক্তিরাও এই উদ্যোগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

বিজেপির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রা উপলক্ষে সারা দেশ জুড়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি তারই একটি অংশ। পানিহাটি দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে রাজ্যের অন্য জেলাতেও একই ধরনের অস্থায়ী ‘নমো মল’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। অর্থাৎ, পুজোর সময়ে কম খরচে পোশাক কেনার এই উদ্যোগকে আরও এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে রাজ্য বিজেপির।

আরও পড়ুন: দুই মাথা, চার চোখ! উদ্ধার বিরল ‘উলফ স্নেক’, ভাইরাল ভিডিও

উদ্বোধনের সময় সুকান্ত মজুমদার জানান, দলের কর্মীরা কয়েক হাজার জামাকাপড়ের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের পাশে থাকা এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। সূত্রের খবর ১০ টাকায় পোশাক পেয়ে বহু গরিব মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।

google button