৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা যাবে না গ্রেফতার, অভিষেককে স্বস্তি দিল হাইকোর্ট

Published:

Abhishek Banerjee

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর একাধিক থানায় বিভিন্ন অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে। সম্প্রতি চোখের চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে অভিষেককে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে আপাতত সাময়িক স্বস্তি পেয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন্ড কম্যান্ড।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িক স্বস্তি হাইকোর্টের

চাকরি চুরি থেকে শুরু করে জমি দুর্নীতি, সেবাশ্রয় দুর্নীতি, ত্রাণ দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের সাংসদের বিরুদ্ধে। সেই কারণে বিদেশ যাত্রার অনুমতি পর্যন্ত পাচ্ছিলেন না তিনি। একাধিকবার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে শেষমেশ অনুমতি পেয়েছেন সাংসদ। তবে এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসবি রাজুর কাছে জানতে চান যে ৪ মে-র আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের হয়েছিল কিনা। উত্তরে রাজু জানান, ভোটের ফলাফলের আগে অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও মামলা নথিভুক্ত ছিল না।

যেহেতু অভিষেকের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ ভোটের ফলাফলের পরে, সেই কারণেই এবার সবদিক বিবেচনা করে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ প্রদান করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই মুহূর্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর খারিজ করা যাবে না। কিন্তু আপাতত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ থাকবে। এর মধ্যে তৃণমূল সাংসদকে গ্রেফতার করা যাবে না। এমনকি তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার জন্য থানাগুলির সমস্ত মামলার রিপোর্ট আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন: “জিহাদীদের সমর্থন করছেন” চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি কর্মী

এদিকে আজ তৃণমূল সাংসদের এফআইআর বাতিলের জন্য আর্জি জানানো হয় রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে। কিন্তু সেই মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, এফআইআর বাতিল করা যাবে না। পুলিশ স্বাভাবিকভাবেই তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু অভিষেকের বিরুদ্ধে জোরজবরদস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা এখনই নেওয়া যাবে না। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৫ আগস্ট। কিন্তু আপাতত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আইনি সুরক্ষা পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

google button