রাজ্যের মৎস্যজীবীদের জন্য সুখবর, ৯ কোটি টাকা দিল কেন্দ্র, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

West Bengal Fisheries

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতায় আসতেই মৎস্যজীবীদের (West Bengal Fisheries) জন্য বড় পদক্ষেপ নিল ডবল ইঞ্জিন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে ফিশারি সেক্টরে 9 কোটি টাকা ঢেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “রাজ্যের মৎস্যজীবী ও এ সংক্রান্ত লোকজনের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। ফিশারি সেক্টরে অনেক কিছু রয়েছে। বিগত সরকার অংশগ্রহণ না করলেও আমরা করবো। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে 9 কোটি দেওয়া হয়েছে।”

রাজ্যের মৎস্যজীবীদের জন্য বড় ভাবনা সরকারের

পশ্চিমবঙ্গের উপকূল সংলগ্ন এলাকা, বিশেষ করে সুন্দরবন অঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবন যাপনের উন্নয়নের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের সাথে হাত মিলিয়ে রাজ্যের মৎস্যজীবীদের উন্নত জীবন উপহার দিতে এগিয়ে এসেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, সুন্দরবন সহ বিভিন্ন উপকূল সংলগ্ন এলাকার মৎস্যজীবীদের জন্য কী কী কাজ করা যায়, কীভাবে তাঁদের উন্নতি সাধন সম্ভব এসব নিয়েই কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালনমন্ত্রী রাজীব রঞ্জনের আলোচনা হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, রাজ্যের মৎস্যজীবীদের উন্নতির জন্য ফিশারি সেক্টরে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে 9 কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এজন্য কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালনমন্ত্রী রাজীব বাবুকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মৎস্য যোজনায় কীভাবে একসাথে রাজ্যের অধিক সংখ্যক মৎস্যজীবীকে নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

 

আরও পড়ুন: ভারতীয় জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই জারি নোটাম, আরব সাগরে গোলাবর্ষণ করবে পাকিস্তান

এদিকে, রাজ্যের ফিশারি ডিপার্টমেন্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার জন্য 2 কোটি 80 লাখ মৎস্যজীবীকে সুযোগ দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, রাজ্যের মৎস্যজীবী ও এই ব্যবস্থার সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের উন্নতি নিয়ে ভাবছে সরকার। একই সাথে এই রাজ্যে 6টি ড্রাই অমৃত সরোবর তৈরি করারও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে, এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন রাজ্যের মৎস্যজীবীদের উন্নতি নিয়ে মুখ খুলে কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালনমন্ত্রীও বলেন, ” মৎস্য শিল্পে পশ্চিমবঙ্গ দুই নম্বর রয়েছে। মৎস্য সেক্টরে উন্নতির চেষ্টা করছে সরকার। উন্নতি হবেই। আগের সরকার এসব নিয়ে কিছুই ভাবেনি! তাঁরা ভাবতো বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু হলে লোকে তাঁদের ভোট দেবে না!”