সিউড়ির পার্টি অফিসে ঢুকে হামলার জের, অনুব্রত মণ্ডলের নিরাপত্তা বাড়াল রাজ্য সরকার

Published:

Anubrata Mondal

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিন কয়েক আগে সিউড়িতে হামলার শিকার হয়েছিলেন ‘বীরভূমের বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। পার্টি অফিস ভাঙচুরের পাশাপশি তৃণমূলের দাপুটে এই নেতাকে দেওয়া হয় হুঁশিয়ারি। বর্তমানে মমতার সঙ্গ ত্যাগ করে ঋতব্রতদের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন অনুব্রত। তবে সেই হামলার ঘটনার পরপরই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বাড়ানো হল অনুব্রতর নিরাপত্তা। শুক্রবার সশস্ত্র এক দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত মণ্ডল। এ নিয়ে বার্তাও দিলেন বিজেপির নেতা।

নিরাপত্তা বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের

তৃণমূলের ভরাডুবির পর গত সপ্তাহে প্রথমবার সিউড়ির পার্টি অফিসে যান অনুব্রত মণ্ডল। সেখানকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের কাছেই তৃণমূলের ওই পার্টি অফিস। স্থানীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেই সেখানে পৌঁছন তৃণমূল নেতা। তবে আচমকা তিন যুবক মোটা গাছের ডাল, লাঠিসোটা হাতে পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অনুব্রত মণ্ডলের সামনেই চলে ভাঙচুর। এমনকি তৃণমূল নেতাকে থ্রেট পর্যন্ত দেয় তারা। পার্টি অফিসের কাঁচের জানলা, চেয়ার, টেবিল সবকিছুই ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। যদিও সেই ঘটনার পর তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে পুজোর আগেই অনুব্রতর নিরাপত্তা বাড়াল রাজ্য সরকার।

শুক্রবার সিউড়ির দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল বীরভূমের তৃণমূল নেতার। তবে পুরনো এক মামলায় ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি সেখানে যেতে পারেননি। এদিন তাঁর নতুন দেহরক্ষী সেখানে পৌঁছন। অনুব্রত মণ্ডল এ বিষয়ে বলেন, বেসরকারি দুটি নিরাপত্তা দেহরক্ষী রয়েছে। আজ সকাল থেকে একজনকে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।” আসলে তৃণমূলের আমলে রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা পেতেন অনুব্রত। নতুন সরকার সেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পর শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ছিল কেষ্টর। তবে সেদিনের হামলার ঘটনার পরই আবার নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।

আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে দুবাই চলে যাচ্ছেন হুমায়ুন কবীর! সেখানেই কবরস্থ হওয়ার ইচ্ছা AJUP নেতার

এ বিষয়ে বিষ্ণুপুরের বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ মিডিয়ার সামনে জানান, “প্রশাসন যদি মনে করে যে কারও জীবনহানি ঘটতে পারে, তাহলে দিতে পারে। এই নিয়ে আমাদের নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে এটুকু ঠিক, যারা অপরাধী তারা ছাড় পাবে না। অনুব্রত মণ্ডল অপরাধী নিশ্চিতভাবেই। সেই জন্য তিনি জেল খেটেছেন। সেটা প্রশাসন দেখছে। কিন্তু কারও জীবনহানির সম্ভাবনা থাকলে নিরাপত্তা দিলে তাতে আমার কিছু বলার নেই।”

google button