গৃহবধূর সাথে দরজা বন্ধ রেখে চলত…! পরকীয়া সন্দেহে শিক্ষককে মারধর জলপাইগুড়িতে

Published:

Jalpaiguri

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পরকীয়ার অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri)। গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে সরকারি শিক্ষকের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক (Extra Marital Affair) নিয়ে মহা শোরগোল শুরু হল গ্রামবাসীদের মধ্যে। হাতেনাতে শিক্ষককে পাকড়াও করে ব্যাপক মারধর করেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। শেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।

ঠিক কী ঘটেছিল?

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার নাকরাকাটা ব্লকের উত্তর ধুম পাড়া এলাকায়। সেখানে এক সরকারি স্কুলের শিক্ষককে ওই গ্রামের এক গৃহবধূর বাড়িতে টানা ২ ঘণ্টা ধরে দরজা বন্ধ অবস্থায় থাকতে দেখে গ্রামবাসী। ওই শিক্ষকের নাম মিলন মিরোজ। তিনি প্রতিদিনই প্রায় ওই গৃহবধুর বাড়িতে যেতেন। জানা গিয়েছে ওই গৃহবধূর তিন সন্তান রয়েছে এবং স্বামী কাজের জন্য ভিন্ন রাজ্যে রয়েছেন। দিনের পর দিন এই ঘটনা চলতে থাকায় গতকাল তাঁদের হাতে নাতে পাকড়াও করে স্থানীয়রা। শিক্ষককে ধরে ঘর থেকে বের করে রীতিমতো মারধর শুরু করেন গ্রামের পুরুষ এবং মহিলারা।

আটক করা হয় দুজনকে

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সকলের মাঝে একটি চেয়ারে শিক্ষককে বসিয়ে চড়-থাপ্পড় মারছেন গ্রামের মহিলারা এমনকি বাদ যায়নি পুরুষেরাও। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে বানারহাট থানায় খবর দেওয়া হলে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হয় ওই গৃহবধূ এবং শিক্ষককে। মূলত একজন সরকারি শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় সকলের মনে এক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই প্রসঙ্গে শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “ সবকিছু তদন্ত করে দেখা হোক, আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন: শিক্ষক বদলি নিয়ে মত বদল, SOP প্রত্যাহার শিক্ষা দফতরের, উঠল বদলের দাবি

ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। সকলের দাবি এই ধরনের শিক্ষক সমাজের জন্য অপয়া, তাই তাঁর বিরুদ্ধে সকলেই যথাযোগ্য শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। কিছুদিন আগে উলুবেড়িয়া থানার শশাবেড়িয়ায় পরকিয়ার জেরে অশান্তি শুরু হতেই এক মহিলাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছিল এক প্রতিবেশী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। যদিও পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

google button