প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: শিক্ষক নিয়োগে আরও কড়াকড়ি হল ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (NCTE)। এখন থেকে বিদ্যালয়গুলিতে ট্রেইন্ড গ্র্যাজুয়েট টিচার (TGT) পদে নিয়োগের (TGT Recruitment Rules) জন্য চাকরিপ্রার্থীদের বেশ কিছু শর্ত পালন করতে হবে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশ্যে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়েছে শিক্ষামহলে।
NCTE-র নয়া নির্দেশিকা
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আজ বুধবার, সোশ্যাল মিডিয়ায় NCTE-র একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসে। সেখানে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি বিদ্যালয়ে TGT পদে নিয়োগের জন্য, NCTE-র নির্দেশিকা অনুসারে এবং সরকার দ্বারা পরিচালিত TET পাস হতে হবে। এছাড়াও, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা বিষয়সমূহের সমন্বয়ে স্নাতক ডিগ্রিতে ন্যূনতম ৫০% নম্বর থাকা আবশ্যক। আর এই দুটি শর্ত শুধুমাত্র TGT পদে নিয়োগের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, অন্য কোনো পদের জন্য নয়। জানা গিয়েছে এই নির্দেশটি ১০ অক্টোবর ২০২৬ থেকেই কার্যকর হয়ে গেছে।
মাথায় হাত চাকরিপ্রার্থীদের
NCTE-র এই বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নয়া শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ যদি কোনও প্রার্থী টেট পাস করলেও গ্র্যাজুয়েশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৪৯% পেয়েছেন। তাহলে শর্ত অনুযায়ী সেই প্রার্থী TGT পদে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না। একইভাবে যদি কোনো ব্যক্তি গ্র্যাজুয়েশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৫০% পেয়েছেন কিন্তু টেট পাস করেননি সেই ব্যক্তিও শর্ত অনুযায়ী TGT পদে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না। তাই যারা ভবিষ্যতে TGT পদে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের টেট সার্টিফিকেট আর গ্র্যাজুয়েশনের মার্কশিট নিয়ে কড়া নজর দিতে হবে।
আরও পড়ুন: এবার এসি বাসে পুরী থেকে সরাসরি যান মায়াপুর ইসকন মন্দির, জেনে নিন রুট ও সময়সূচি
এদিকে যেসব কর্মরত শিক্ষক TET দেননি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তাঁদের জন্য TET-র আয়োজন করতে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। কর্মরত শিক্ষকদের TET নিতে হবে জানিয়ে SSC ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে চিঠি দিয়েছিল শিক্ষা দফতর। বলা হয়েছে, বছরে দু’বার TET নেওয়া যাবে। ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা দেওয়া যাবে। কর্মরত শিক্ষকরা যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা দিতে পারেন, তার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে।










