বদলে যাচ্ছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার নাম? সরকারের কাছে জমা পড়ল প্রস্তাব

Published:

Paschim Bardhaman

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতায় আসতেই বদলে যাচ্ছে জেলার নাম? এমনই প্রস্তাব জমা পড়ল সরকারের (Government of West Bengal) ঘরে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। আপনিও কি পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেবেন সবটা।

বদলে যাচ্ছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার নাম?

রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্গাপুরে গত ২১ মে অনুষ্ঠিত শেষ প্রশাসনিক বৈঠকে জেলার নাম ‘পশ্চিম বর্ধমান’ থেকে ‘আসানসোল-দুর্গাপুর’ তে পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।  পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নাকি ইতিমধ্যেই জেলার জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন এই প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখতে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত নিতে। সূত্রের খবর, বিজেপি বিধায়করা জেলার নাম বদলের প্রসঙ্গে উদ্যোগী হয়েছেন। তাই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে খবর।

আরও পড়ুনঃ বদলে যাচ্ছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার নাম? সরকারের কাছে জমা পড়ল প্রস্তাব

বৈঠকে বিধায়করা দাবি করেছেন, এই অঞ্চলের শিল্প ঐতিহ্য, অর্থনৈতিক অবদান এবং স্বতন্ত্র পরিচয়কে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতেই এই নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। এতে কোনও সন্দেহ নেই যে আসানসোল ও দুর্গাপুর বাংলার শিল্পোন্নয়নের দুই প্রধান চালিকাশক্তি। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরের সৃজনী হলে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম বর্ধমান ছাড়াও পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার বিধায়ক জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা ওই বৈঠকে ছিলেন। সেখানে যে যার এলাকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি জেলার নাম পশ্চিম বর্ধমানের বদলে আসানসোল-দুর্গাপুর করার প্রস্তাব দেন। তাঁকে সমর্থন জানান আসানসোলের প্রাক্তন মেয়রের এই দাবিকে সমর্থন করেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগ হবে?

ইস্পাত, বিদ্যুৎ, কয়লা, ইঞ্জিনিয়ারিং ও উৎপাদন শিল্পের অন্যতম কেন্দ্র এই অঞ্চল। পশ্চিম বর্ধমান, এমন একটি নাম, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের আশা, স্বপ্ন ও সাফল্যকে প্রতিনিধিত্ব করে। ভবিষ্যতে এই জেলায় আরও বেশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে যাইহোক, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জেলাশাসককে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।