বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইতিহাস রচনা করলেন ভারতীয় অ্যাথলেট বছর 25 এর গুরিন্দরবীর সিং (Gurindervir Singh)। শনিবার রাঁচিতে অনুষ্ঠিত 2026 অ্যাটলেটিক্স ফেডারেশন কাপে জাতীয় রেকর্ড ছারখার করে মাত্র 10.09 সেকেন্ডে 100 মিটার দৌড়ে প্রথম হওয়ার পাশাপাশি পেছনে ফেলেছেন অনিমেষ কুজুরকে। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে এদিন বিরসা মুন্ডা ফুটবল স্টেডিয়ামে একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে নিজের লক্ষ্য অর্জন করে সোনা জিতেছেন ভারতের এই পাঞ্জাবি অ্যাথলেট।
বড় রেকর্ড ভেঙে দিলেন পাঞ্জাবি অ্যাথলেট
গতকাল অর্থাৎ শনিবার, জাতীয় সিনিয়র অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে গুরিন্দরবীর পুরুষদের বিভাগে 100 মিটার দৌড়তে ঠিক সময় নিয়েছিলেন 10.9 সেকেন্ড। আর সেই সূত্রেই আগের 10.18 সেকেন্ডের জাতীয় রেকর্ড একেবারে গুঁড়িয়ে দিলেন তিনি। এছাড়াও কমনওয়েলথে সবচেয়ে কম সময়ে অর্থাৎ 10.16 সেকেন্ডে 100 মিটার দৌড় সম্পন্ন করার রেকর্ডও এদিন ছাপিয়ে যান ভারতীয় অ্যাথলেট।
বলাই বাহুল্য, বাকিদের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি এদিন নিজের ব্যক্তিগত সেরা 10.17 সেকেন্ডের রেকর্ডটিও ছাপিয়ে যান গুরিন্দরবীর। না বললেই নয়, অল্প সময় নিয়ে 100 মিটারের লক্ষ্য পূরণ করায় এ সিজনে এশিয়ার দ্বিতীয় দ্রুততম রেকর্ডটি নিজের নামে করেছেন গুরিন্দরবীর। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন জাতীয় রেকর্ডধারী অনিমেষ কুজুরকে।
পাঞ্জাবের ছেলে গুরিন্দরবীরের এমন সাফল্যে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, ভারতীয় অ্যাথলেটকে অভিনন্দন জানাতে তিনি লেখেন, “পাঞ্জাব এবং দেশ দুইয়ের জন্যেই আজকের দিনটা গর্বের। গুরিন্দরের এই ঐতিহাসিক কৃতিত্বে গোটা পাঞ্জাব রাজ্য গর্বিত।”
অবশ্যই পড়ুন: ট্রাম্পের কাছে আত্মসমর্পণ! আমেরিকাকে ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম দেবে ইরান?
নিজের অসামান্য সাফল্যে আনন্দিত পাঞ্জাবের গুরিন্দরবীরও। ভবিষ্যতেও এমন শক্তিশালী পারফরমেন্স উপহার দিতে চান তিনি। এমন সাফল্যের পেছনে ভারতীয় তারকা নিজের পরিবার, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের সমর্থনের কথা স্মরণ করেছেন।
বছর দুয়েক আগে একটি সাক্ষাৎকারে নিজের সংগ্রামের কথা জানিয়েছিলেন গুরিন্দির। ভারতীয় অ্যাথলেট বলেছিলেন, কোচ সাহেব তাঁর পোশাক-আশাক, জুতো থেকে শুরু করে খাবার এমনকি চিকিৎসার খরচ চালাতেন! এমনকি যখন তাঁর কাছে দূরে দূরে গিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার টাকা ছিল না তখন তাঁর পাঞ্জাবি বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাঁকে প্রচুর সাহায্য করেছেন।










