ডুয়ার্স ভ্রমণ হবে সহজ, হাসিমারা বিমানবন্দরে বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য সবুজ সঙ্কেত নবান্নর

Published:

Hasimara Airport

সহেলি মিত্র, কলকাতা: এসে গেল আরো একটা সুখবর যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করছিলেন সকলে। জানা গিয়েছে, বঙ্গবাসী পেতে চলেছেন আরো একটি বড় বিমানবন্দর। তোড়জোড় শুরু করে দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেই খুব শীঘ্রই হাসিমারা বিমানবন্দর (Hasimara Airport) থেকে বেসামরিক বিমান পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। একবার এই বিমান পরিষেবা যদি শুরু হয় তাহলে ডুয়ার্স (Dooars) ভ্রমণ আগে তুলনায় আরো সহজ হবে সকলের জন্য বলে খবর। সবথেকে বড় কথা, কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বড় আপডেট শেয়ার করেছেন দার্জিলিং-র বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।

ফের চালু হচ্ছে হাসিমারা বিমানবন্দর?

উত্তরকন্যায় একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছিল সম্প্রতি। সেখানেই এই হাসিমারা বিমানবন্দর থেকে নতুন করে বেসামরিক বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়টির ওপর সবুজ সংকেত দিয়েছে সরকার। রাজু বিস্তা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রথমেই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি লেখেন, ‘ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাই হাসিমারা বিমানবন্দরকে বেসরকারি বিমান চলাচলের জন্য সম্প্রসারণের সবুজ সংকেত দেওয়ার জন্য।’

আরও পড়ুনঃ কপাল খুলবে বাংলার যুবদের, বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

তিনি আরও লেখেন, ‘এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিদ্ধান্তটি গোটা ডুয়ার্স অঞ্চলের সংযোগ ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করবে। ডুয়ার্স-এর মনে অবস্থিত হাসিমারা, যা আলিপুরদুয়ার এবং ভূটানের সীমান্ত থেকে মাত্র ৪০ কিমি দূরে এবং প্রায় ২০০ টি চা বাগানের পরিবেষ্টনে রয়েছে, এখন উপযুক্ত বেসরকারি বিমান পরিষেবা সেবা এবং একটি নতুন যাত্রী টার্মিনাল পাবে।’

জমি অধিগ্রহণে অনুমোদন

রাজু বিস্তার পাশাপাশি আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা দাবি করেছেন যে, হাসিমারা বিমানবন্দর থেকে বেসামরিক বিমান চলাচল চালুর সুবিধার্থে জমি অধিগ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সবুজ সংকেত দিয়েছেন। সাংসদের মতে, উত্তরকন্যায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। আসলে হাসিমারা থেকে বিমান পরিষেবা চালুর চাহিদা বহু বছর ধরেই রয়েছে। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো বাগডোগরা বিমানবন্দরের আদলে হাসিমারা বিমানঘাঁটির রানওয়ে ব্যবহার করা এবং সংলগ্ন জমিতে একটি পৃথক যাত্রীবাহী টার্মিনাল নির্মাণ করা। এতে করে বাগডোগরার ওপরেও চাপ কমবে বলে মত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের।