TET প্রার্থীদের জন্য সুখবর! ১ বছর সময়সীমা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

Published:

Updated:

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ শিক্ষকদের জন্য রইল জরুরি খবর। টেট (TET Exam) নিয়ে বড় রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। টেট যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা শিক্ষকদের অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা পুনঃসমীক্ষা পিটিশনগুলো সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করেছে। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্ট টেট পরীক্ষায় পাশের সময়সীমা এক ধাক্কায় দুই বছর থেকে তিন বছর বাড়িয়েছে।

টেট পরীক্ষায় পাশের সময়সীমা বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট

আদালত (Supreme Court of India) আদেশে একটি সামান্য পরিবর্তন এনেছে। আগে বলা হয়েছিল যে ২০১০ সালের আগে নিযুক্তদের দুই বছরের মধ্যে টেট পাস বাধ্যতামূলকভাবে করতে হবে। যদিও এই সময়সীমা আরও এক বছর বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ২০২৮ সালের ৩১ আগষ্ট মধ্য কর্মরতদের পাশ করতে হবে। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও মনমোহনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ কেরালা সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থার দায়ের করা আবেদনসহ প্রায় ৪৫টি পুনর্বিবেচনার আবেদন বিবেচনা করেছে। কেরালা (Kerala) ছাড়াও আরও পাঁচটি রাজ্য একই ধরনের আবেদন করেছিল।

যদিও বেশিরভাগ আজ শুক্রবার খারিজ করে দেয়। এরপরেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত রায় দেন ২০২৮-এর ৩১ অগস্টের মধ্যে সবাইকে টেট পাশ করতে হবে। এই নির্দেশের ফলে টেট পাশ করার সময়সীমা এক বছর বাড়ানো হল।

এই বিষয়টি মাথায় রাখুন

আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন যে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগপ্রার্থী শিক্ষকদের জন্য এবং সেইসাথে ২০০৯ সালের আরটিই আইন কার্যকর হওয়ার আগে নিযুক্ত ও পাঁচ বছরের বেশি চাকরি বাকি থাকা কর্মরত শিক্ষকদের জন্য টিইটি (TET) বাধ্যতামূলক করেছে। বেঞ্চ বলেছে যে, যে সকল শিক্ষকের পাঁচ বছর বা তার কম চাকরি বাকি আছে, তারা টিইটি ছাড়াই চাকরি চালিয়ে যেতে পারবেন, কিন্তু ভবিষ্যতে পদোন্নতির জন্য যোগ্য হবেন না।

টেট-এর কথাটির পুরো মানে হলো ‘টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট’। এটি কেউ শিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে কতটা যোগ্য সেটা যাচাইয়ের পরীক্ষা। বছরের পর বছর ধরে কয়েক লক্ষ প্রার্থী পরীক্ষায় বসেন, কিন্তু কৃতকার্য হতে পারেন কয়েকজনই। সারা দেশে সরকারি, সাহায্যপ্রাপ্ত বা বেসরকারি স্কুলে শিক্ষক হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়।