সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ বেলা ১২ টায় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন্ড কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ভবানীভবনে হাজিরা দিতে বলেছে সিআইডি। নোটিশও ধরানো হয়েছে তাঁকে। কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েই নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তবে শনিবারের সেই অতর্কিত হামলার জেরে ভবানীভবনে গেলেন না সাংসদ। সূত্রের খবর, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখনও বেশ কাহিল। চোয়ালে ব্যথা, সারা গায়ে কালশিটে। যে কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।
ভবানীভবনে যাচ্ছেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বলে দিই, তৃণমূল বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত করতেই নোটিশ পাঠায় সিআইডি। সেক্ষেত্রে কুণাল ঘোষ থেকে শুরু করে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক বিধায়কদের তলব করা হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই তিনি সেখানে যাচ্ছেন না। এমনটাই খবর সূত্রের। জানা গিয়েছে, তাঁর এখনও কিছু ডাক্তারি পরীক্ষা বাকি। এমনকি চোয়ালে ব্যথা, সারা গায়ে কালশিটে, মুখ-পিঠে আঁচরের দাগ। তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চাইতে পারেন সাংসদ।
না বললেই নয়, গত পরশুদিন হরিশ মুখার্জির রোডের বাসভবন শান্তিনিকেতনে সিআইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ দিতে গিয়েছিল। কিন্তু সাংসদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলেই জানান বাড়ির এক কর্মী। যে কারণে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় চার আধিকারিককে। কিন্তু তাঁর দেখা না মেলায় অবশেষে কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে অভিষেককে নোটিশ ধরায় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু সেই দিনই ঘটে তাঁর উপর হামলা।
আরও পড়ুন: MBBS চিকিৎসকের অ্যাকাউন্টে বার্ধক্য, বিধবা ভাতা! কেলোর কীর্তি পশ্চিম মেদিনীপুরে
শনিবার সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। যেখানেই জনরোষের মুখে পড়েন সাংসদ। ইট-পাটকেল থেকে শুরু করে জুতো এমনকি পচা ডিম ছুঁড়ে মারা হয় অভিষেকের উপর। কোনও মতে সেখান থেকে তিনি বেঁচে ফেরেন। যদিও পরে হাসপাতালে ভর্তি করাতে নিয়ে গেলে কোনও হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি নিতে চায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা এতটাও খারাপ নয় যে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। যদিও তা নিয়ে সরব হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে আজ শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই ভবানীভবনে সিআইডি-র তলব সত্ত্বেও হাজির হচ্ছেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।










