তারেক রহমানের জয়ে শুভেচ্ছা বার্তা মমতার, পাঠানো হল ফুল ও মিষ্টি

Published:

Mamata Banerjee
Follow

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিপুল জনসমর্থন পেয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি, প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছে খালেদা জিয়া পুত্র তারেক রহমান। এদিকে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন দেশ ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তারেক রহমানের উদ্দেশে পাঠালেন ফুল এবং মিষ্টি।

তারেককে শুভেচ্ছা বার্তা মমতার

গত বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পরেই, শুক্রবারই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে ওপার বাংলার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই বিরাট বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। তারেক রহমানকে ‘তারেক ভাই’ বলে সম্বোধন করে লেখেন, “শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোন এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন। সবাইকে অগ্রিম রমজান মোবারক। এই বিরাট জয়ের জন্য আমার তারেক ভাই, তার দল এবং সব দলকে অভিনন্দন।” এবার অভিনন্দনের পাশাপাশি গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি পাঠালেন মমতা। যা গ্রহণ করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান। প্রকাশ্যে এল সেই ছবি।

শুভেচ্ছার আড়ালে রয়েছে কোন উদ্দেশ্য?

প্রথম থেকেই বাংলার সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের এক গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আসলেপশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তি রয়েছে। ফলস্বরূপ দুই বাংলার রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শুভেচ্ছা আদান-প্রদানকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কূটনীতিবিদরা। অন্যদিকে ,তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এক্স-এ লেখেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াবে।,”

আরও পড়ুন: রেল যাত্রীদের জন্য দুঃসংবাদ! Online এ এভাবে আর কাটা যাবে না টিকিট

প্রসঙ্গত, অনেক আগে থেকে শোনা যাচ্ছিল যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের BNP-র সম্পর্ক একটু আলাদা এবং ভারত যে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, তাও বোঝা যাচ্ছিল। কারণ এর আগে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সময়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন তারেকের সঙ্গে। এমনকি লোকসভা এবং রাজ্যসভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল। তাই এখন সকলের নজর ভারত এবং বাংলাদেশের সুসম্পর্কের দিকে।

গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন Join Now