সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা নয়, মাত্র ২০ মিনিটের বাংলা থেকে আসাম যাওয়া যাবে। আসলে নতুন রাস্তা জোরকদমে তৈরি হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন তীব্র যানজট কমবে, ঠিক তেমনই ভ্রমণের সময়েও কমবে অনেকটা। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।
এবার বাংলা থেকে আসাম মাত্র ২০ মিনিটে!
আপনিও নির্ঘাত ভাবছেন যে মাত্র ২০ মিনিটে বাংলা থেকে আসাম সড়কপথে যাওয়া কীভাবে সম্ভব? তাহলে জানিয়ে রাখি, উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) তপসিখাতা এলাকায় নতুন রাস্তা (Tapsikhata New Road) তৈরি হচ্ছে, যা আগামী দিনে আপনার আসা যাত্রা সহজ করবে। কালজানি নদীর ওপর পাকা সেতুটি নির্মিত হলেই মাত্র ২০ মিনিটে পৌঁছানো যাবে আসামে। আগে বারবিশা দিয়ে ঘুরে আসাম ঢুকতে হত। সময়ও অনেক বেশি লাগত আবার যানজট তো রয়েইছেই। তবে এবার সেসব অতীত হতে চলেছে। কারণ জোরকদমে তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তা। সুবিধা বাড়বে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দুই রাজ্যের ব্যবসায়ীদের।
আরও পড়ুনঃ মার্চেই উদ্বোধন হচ্ছে গোটা কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে, সুখবর শোনাল রাজ্য সরকার
জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার জেলার ১ নং ব্লকের তপসিখাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কালজানি নদী। এই নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো রয়েছে। তবে একবার পাকা সেতু হয়ে গেলে এলাকায় উন্নয়ন আরও বেশি পরিমাণে হবে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। সবথেকে বড় কথা, এই এলাকার কিন্তু ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম। এখানকার মানুষ রীতিমতো গর্ববোধ করেন। কারণ একদিকে ৩১ সি জাতীয় সড়ক আলিপুরদুয়ার থেকে অসমের এর দিকে চলে গিয়েছে। আর একদিকে ফোর লেন মহাসড়ক ন্যাশনাল হাইওয়ে ২৭ রয়েছে।
উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ
এখন পড়শি রাজ্য আসাম যাওয়ার ক্ষেত্রে এই এলাকার গুরুত্ব অপরিসীম হতে চলেছে। কালজানি নদীর ওপর পাকা সেতু তৈরি হলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে গাড়ি চালকদের হয়রানি অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেই এস.আর.ডি.এ -এর অন্তর্গত প্রকল্পে একটি পাকা রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। দুটি নদীর ওপর তৈরি হচ্ছে সেতুটি। আলিপুরদুয়ার গরম নদীর সেতু থেকে কালজানি নদীর পাড় পর্যন্ত হচ্ছে রাস্তাটি।












