সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলায় ভোটার তালিকা (Voter List) বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তবে সেই তালিকায় রয়েছে তিনটি ক্যাটাগরি। বৈধ ভোটার যারা তাদের নামের পাশে কিছুই লেখা নেই। তারা কোনও রকম সমস্যা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। দ্বিতীয়ত রয়েছে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ অর্থাৎ তাদের মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য ধীরে ধীরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করা হবে। আর তারপর রয়েছে ডিলিটেড ক্যাটাগরি। অর্থাৎ তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারা আর ভোট দিতে পারবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তারা এবার কী করবে? কীভাবে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারবে? জেনে নিন বিস্তারিত।
নামের পাশে ডিলিটেড থাকলে কী করবেন?
এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বিশেষ করে মৃত ভোটারদের নামই বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা একাধিক জায়গায় ভোটার তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছে যারা জীবিত কিন্তু তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে নাম বাদ পড়েছে, এবং সেখানে ডিলিটেড দেখাচ্ছে। তবে সেক্ষেত্রে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, ডিইও বা সিইও-র কাছে পুনরায় আবেদন করলে আবারো ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। এক্ষেত্রে তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যেই জেলা শাসক বা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে সে যদি নাম তালিকায় না তোলার সিদ্ধান্ত নেন সেক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চিফ ইলেক্টোরিয়াল অফিসারের কাছে আবেদন করা যাবে।
এছাড়াও আপনি অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য পেতে পারেন। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে বিএলও-দের মাধ্যমে আবেদন জানানো যাবে। আর electoralsearch.eci.gov.in পোর্টালে গিয়ে এপিক নম্বর দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিএলও-র নাম ও ফোন নম্বরও দেখতে পাবেন। তবে যদি সিইও দফতর আবেদন খারিজ করে দেয় সেক্ষেত্রে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। এমনকি নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। কিন্তু কীভাবে এই ফর্ম পূরণ করবেন তা বিস্তারিত তুলে ধরা হল নিচে।
ফর্ম পূরণ করার পদ্ধতি
ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম তোলার জন্য যে ৬ নম্বর ফর্ম রয়েছে, সেটি আমাদের প্রতিবেদনের নিচেই দেওয়া রয়েছে। আপনারা চাইলে সেটি সরাসরি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। তারপর প্রথমে নিজের জেলা এবং তারিখ লিখতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে নিজের নাম, বাবা-মা বা স্বামীর নাম এবং ঠিকানা লিখতে হবে। তারপর নিজের এপিক নম্বর নির্দিষ্ট স্থানে পূরণ করতে হবে। তারপর বিধানসভার নম্বর, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। মনে রাখবেন, নতুন যে তালিকা বেরিয়েছে সেখানে যে পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর রয়েছে সেটাই হুবহু বসাতে হবে। তারপর শেষে নিজের নাম এবং ফোন নম্বর লিখে জমা দিতে হবে।
ফর্ম ডাউনলোড করুন: ক্লিক করুন












