ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

Published:

CAA Certificate

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা CAA নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। যদিও এখনও প্রতিবাদ করেই চলেছে মমতা সরকার। তবে সম্প্রতি নির্বাচনের আবহে SIR কর্মসূচি লাগু হওয়ার পর CAA নিয়ে তীব্র সংকট দেখা দিল। আর এই আবহে মধ্যেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করে সার্টিফিকেট (CAA Certificate) পেল বাংলাদেশ থেকে আসা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর (Purbasthali) একাধিক পরিবার।

নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেল ৩টি পরিবার

রিপোর্ট মোতাবেক, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৩ টি পরিবার কিছুদিন আগেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে CAA-র জন্য আবেদন করেছিল, অবশেষে মিলল সেই সার্টিফিকেট। আবেদনকারীদের মধ্যে একজন, সরস্বতী মল্লিক এবং তার দুই ছেলে দুলাল মল্লিক ও অরবিন্দ মল্লিক আগে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানা এলাকায় বসবাস করতেন। কিন্তু ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ২০০৬ সালে এদেশে চলে এসেছিল। এখানকার ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড সহ যাবতীয় নথি থাকলেও তাঁদের মনে ভয় ছিল। শেষে স্থানীয় বিজেপি নেতার কথায় গত বছর অক্টোবর মাসে CAA তে আবেদন করে। শেষে চার মাসের মাথায় ইমেইলের মারফত তারা নাগরিকত্ব সার্টিফিকেটের সফট কপি পায়। বেশ খুশি আবেদনকারীরা।

৩ মাসের মধ্যে মিলেছে সার্টিফিকেট

এর আগে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাতলা পঞ্চায়েতের বড়গাছি গ্রামের বাসিন্দা সবুজ দাসও নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছিল। জানা যায় প্রায় ২৬ বছর আগে সে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছিলেন। আর তারপর থেকেই পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতেই রয়েছেন। ভোটার, আধার-সহ যাবতীয় নথি থাকলেও SIR এর ভয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ভরসা করে CAA-তে আবেদন করেছিলেন, এরপর ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যান নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেন, “শাসকদল অপ্রপ্রচার করছে। বিভ্রান্ত না হলে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করুন।”

আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিৎ! বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদ

বিজেপি নেতা বেচারাম দাস বলেন, “আমরা এই এলাকায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারকে CAA-এর জন্য আবেদন করতে সাহায্য করেছি। আশা রাখছি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এলাকার সকলেই CAA এর সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে। রাজ্যের শাসক দল সিএএ নিয়ে লাগাতার মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে গিয়েছে। নানা স্লোগান দিয়ে শাসকদল কতই মিটিং-মিছিল করেছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এখন বুঝতে পারছেন CAA নিয়ে শাসক দল এতদিন তাঁদের শুধুই ভুল বুঝিয়ে গিয়েছে।”

🔮
মাত্র ২১ টাকায় নিজেরবাংলা কুষ্ঠি তৈরি করুন
দেখুন →
google button