সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যে কার্যকর হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Bhandar)। ইতিমধ্যেই তার ফর্ম প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই পাওয়া যাচ্ছে ফর্ম। অনলাইনে অফিশিয়াল সাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে ফিলাপ করা যাচ্ছে, এবং অফলাইনে বিডিও, পৌরসভার আধিকারিক, ওয়ার্ড অফিস, ডিএম অফিস থেকেই মিলছে এই ১২ পাতার ফর্ম। তবে মুখ্যমন্ত্রী যেমনটা জানিয়েছিলেন যে, যারা তাড়াতাড়ি ফর্ম পূরণ করবে তারা জুন মাস থেকেই পাবে টাকা। তাহলে কারা আগামী মাসে পাবে সহায়তা?
জুন মাস থেকে কারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবে?
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন তারা প্রত্যেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন, এবং সরাসরি তাদের নাম ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দুর্নীতির খতিয়ান দেখে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, নতুন করে আবার সকলকে আবেদন করতে হবে এবং সেই মতোই নতুন ১২ পাতার একটি ফর্ম প্রকাশ করা হয়। যে ফর্ম নিয়ে ইতিমধ্যে ধন্দায় রয়েছেন রাজ্যের সাধারণ মহিলারা।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী জুন মাস থেকেই ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। তিনি বলেছিলেন, যারা যত তাড়াতাড়ি ফর্ম পূরণ করতে পারবে, তারা তত তাড়াতাড়ি পাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। কিন্তু আজ ৩১ মে। আগামীকাল জুন মাসের শুরু। আর হাতে মাত্র দুটো দিন। সেক্ষেত্রে যারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম এখনও পূরণ করতে পারেননি, তারা কি জুন মাসের টাকা পাবেন? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ‘না’। কারণ, আগামী ২ দিনের মধ্যে ফর্ম পূরণ করে জমা দিলে তবেই জুন মাসের টাকা দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: বাড়ি থেকে উদ্ধার ভুরিভুরি ত্রাণের ত্রিপল, ফুটবল! গ্রেফতার পূর্বস্থলীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
রাজ্য সরকার জানিয়েছিল যে, আগামী ৩ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ডিবিটি ট্রান্সফারের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। সেক্ষেত্রে ২ জুনের মধ্যে ফর্ম জমা দিয়ে তা ভেরিফিকেশন করা বাঞ্ছনীয়। আর যদিও ২ জুনের মধ্যে ফর্ম জমা দেন, তাহলেও সেক্ষেত্রে যাচাই করা সম্ভব হবে না। তাই জুন মাসের কিস্তি না পাওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। কিন্তু জুন মাসের মধ্যে যারা ফর্ম জমা দেবেন তাদের আগামী জুলাই মাস থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, এমনটাই জানা যাচ্ছে। তাই অহেতুক চিন্তার কোনও কারণ নেই। এখনও হাতে ৯০ দিন আছে। ৯০ দিনের মধ্যেই ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়া যাবে। এমনকি যতদিন না অন্নপূর্ণ ভাণ্ডার পাচ্ছেন, ততদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ১৫০০ টাকা করে ব্যাঙ্কে ঢুকবে।










