প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই উপনির্বাচন, এবার রেজিনগরের মাটিতে হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) পুষ্পার মত ‘ঝোঁকাতে’ আসরে নামতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানা গিয়েছে, আজ ১ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রেজিনগর (Suvendu Adhikari Rejinagar Rally) উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী শাঁখারভ সরকারের সমর্থনে শক্তিপুর ময়দানে একটি জনসভা করবেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই বিপুল উৎসাহ দেখা দিয়েছে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। শেষ মুহূর্তে চলছে জনসভার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার কাজ।
রেজিনগরে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে উপনির্বাচন হতে চলেছে। তাই এই উপনির্বাচনের আবহে রীতিমতো টানটান উত্তেজনা রাজ্য রাজনীতিতে। গতকাল, বুধবার, রেজিনগর বিধানসভার বিকলনগর এলাকায় মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে নির্বাচিত রাজ্যের দুই মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ ও গার্গী দাস ঘোষ এবং রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থী শাঁখারভ সরকারের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার করেছিলেন। আর এবার নির্বাচনের ৫ দিন আগে রেজিনগরে বিজেপির উপনির্বাচনের প্রচার আরও জোরদার করতে ময়দানে নামতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শক্তিপুরের প্রতাপ সংঘ ময়দানে দলীয় প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাবেন তিনি। তাই এই মুহূর্তে বেশ ব্যস্ত সকলে।
কী বলছেন বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি?
সভায় যাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হতে পারেন, সেজন্য দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও চলছে প্রস্তুতি। পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার নিয়ে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানান, “রাজ্যে ক্ষমতায় এসে কীভাবে বিজেপি তার সংকল্প পত্রের প্রতিশ্রুতি একে একে পূরণ করছে তার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে আজ পৌঁছে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।” পাশাপাশি বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মলয় মহাজন বলেন, “রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র তৈরি হওয়ার পর থেকে সেখানকার মানুষ বিজেপি ছাড়া সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ভোট দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু রেজিনগরের কোনও উন্নতি হয়নি। এবার পুরনো সমস্ত প্রথা ভেঙে বিজেপিকে জেতানোর ব্যাপারে মনস্থ করে নিয়েছে রেজিনগরের মানুষ।”
আরও পড়ুন: “যা হয়েছে বেশ হয়েছে..” অনুব্রতর উপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক সজল ঘোষ
জেলা সভাপতি মলয় মহাজন আরও জানিয়েছেন, “ আগত উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী জিতলে রাজ্যের সরকারও পরিবর্তন হবে না , নতুন মুখ্যমন্ত্রীও আসবে না। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। কিন্তু বিজেপি জিতলে এখানকার মানুষের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। তাই দল ও মত নির্বিশেষে সমস্ত মানুষ এখন বিজেপি প্রার্থীকে জেতানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।” অন্যদিকে রেজিনগর আসনে উপনির্বাচনে নিজের পুত্র গোলাম নবি আজাদকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী করেছেন হুমায়ুন কবীর। এখন দেখার এই লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়।










