“১ ভোট হলেও ভবানীপুর থেকে আমিই জিতব!” হুঙ্কার মমতার

Published:

Mamata Banerjee
Follow

সৌভিক মুখার্জী, ভবানীপুর: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগেই উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। সেই আবহে আজ বড়সড় বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সম্প্রতি এসআইআর তালিকা প্রকাশের পর ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৭ হাজারের নাম বাদ পড়েছে। এমনকি আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। আর তা নিয়েই এবার বিজেপি হংকার ছেড়েছে যে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। তবে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “বারবার আমি লড়াই করেছি এবং আমিই এখানে জিতব।”

এসআইআর-এ বাদ ৪৭ হাজারে বেশি নাম

জানিয়ে রাখি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ভবানীপুরের বিধায়ক। তবে এতদিন পর্যন্ত এই কেন্দ্রে কতজনের নাম বাদ পড়বে তা নিয়ে চলছিল জল্পনা। তবে তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় যে, সেখানে ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এমনকি আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় পড়ে রয়েছে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। তাছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনের নাম সেখান থেকে বাদ পড়েছে। আর এবার আরও ৩২৪ জনের নাম যুক্ত হল। অনুমান করা হচ্ছে, নথি যাচাইয়ের আরও নাম বাদ পড়বে। সেই কারণেই সুর চড়িয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল।

নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদাররা ভবানীপুরে এসে একাধিকবার দাবি করেছেন যে, এবার বিজেপিই এই আসনে জিতবে। আর শুভেন্দু অধিকারী নিজেই বলেছেন যে, “উনি জানেন কাদের ভোট জিতেছিলেন। ওটা বিজেপির জায়গা। আর আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনি দাঁড়ান। বাকিটা নিজেই বুঝে নেবেন।” কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে ভোটের উপর কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুন: ‘ভাইপো শাসন চলবে না’— মথুরাপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় তৃণমূলকে নিশানা অমিতের

“আমিই জিতব ভবানীপুরে”—মমতা

এদিকে আজ সভা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছেন যে, “এক ভোট হলেও ভবানীপুর থেকে আমি জিতব। বারবার আমি নিজে এখান থেকে লড়াই করেছি। আর আমাকে নৈতিকভাবেই সবাইকে সমর্থন করুন। এখানে কোনও ভাবেই বিজেপিকে আসতে দেবো না।” এমনকি তিনি এদিন আরও জানিয়েছেন, “বাংলার ১ কোটির ২০ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চলেছে কমিশন। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। সমস্ত তথ্য দেওয়ার পরেও নাম কেটেছে নির্বাচন কমিশন। ভেরিফিকেশন ছাড়াই বাদ গেছে ৫৮ লক্ষের নাম। সব দোষই বিজেপির।”