সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলার সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য রইল জরুরি খবর। অফিস টাইমিং নিয়ে নিয়ম আরও কড়া করল নতুন সরকার (Government of West Bengal)। এখন আর ‘যখন ইচ্ছা এলাম আর যখন ইচ্ছা চলে গেলাম,’ এরকম মনোভাব চলবে না। অর্থাৎ সরকারি কর্মীদের সময়ানুবর্তিতা নিয়ে পাঠ দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার। এদিকে সরকারের নতুন নিয়ম যদি কেউ না মানেন তাহলে তাঁর কপালে অশেষ দুঃখ আছে। ১০টার মধ্যে সকলকে অফিসে আসার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
১০টার মধ্যে অফিস ঢোকার নির্দেশ সরকারের
কেউ যদি ১০:১৫ থেকে ১১টার মধ্যে অফিস ঢোকেন তাহলে তা ‘লেট’ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া কেউ যদি ১১টার পর অফিস ঢোকে তাহলে সেদিনটা ওই কর্মীর বেকার যাবে। কারণ তাঁকে অনুপস্থিত হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। অর্থাৎ নিজের চাকরি আর বেতন বাঁচাতে হলে একদম ১০টার মধ্যে অফিসে বায়োমেট্রিক ছাপ দিয়ে নিজের হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও বিকাল ৫.১৫ মিনিটের আগে কেউ অফিস চত্বর ত্যাগ করতে পারবে না। এই আদেশটি সরকারের সকল কর্মচারীর জন্য অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’ কর্মসূচির অনুমোদন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, কী সুবিধা মিলবে?
সরকার সাফ জানিয়েছে, বিকেল ৫টা বেজে ১৫ মিনিটের আগে অফিস ত্যাগ করলে ‘আর্লি ডিপার্চার’ হিসেবে গণ্য করা হবে। একই দিনে দেরিতে আসা ও আগেভাগে বের হলে একদিনের নৈমিত্তিক ছুটি বা CL কাটা হবে। আসলে সরকার ঘোষণা করেছে, ১৫ জুন থেকে নবান্নে বাধ্যতামূলক ‘ফেস রিকগনিশন’ বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা করা হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে দেওয়া হয়েছে।
জানুন সরকারের নির্দেশ
এখানে জানিয়ে রাখি কারা কারা ছাড় পাবেন। সূত্রের খবর, এই নিয়ম থেকে বাদ থাকবেন দফতর প্রধানরা। বাকি কর্মীদের সরকারের নতুন নিয়ম একদম অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। এখানেই শেষ নয়, সরকার বলেছে, অফিস ত্যাগের সময় বায়োমেট্রিক রেকর্ড না করলে অনুপস্থিত বলে গণ্য করা হবে। সরকারি বৈঠক বা দাপ্তরিক কাজের কারণে দেরি বা আগাম প্রস্থানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। সদর দফতরের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ছাড় বহাল থাকবে। অর্থাৎ এবার সরকারি কর্মীদের একদম সময় মেনে অফিসে ঢুকতে হবে এবং বেরোতে হবে।










