বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Express) ট্রেন পেয়েছে বাংলা। সেই ট্রেন ছুঁটে বেড়ায় হাওড়া-কামাখ্যা রুটে। এরপর গোটা দেশজুড়ে আরও একাধিক বন্দে ভারতের স্লিপার ট্রেন চালানোর ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল। সেই সাথে এবার আরও এক বন্দে ভারত স্লিপার পেতে চলেছে বাংলা। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এবার সরাসরি কলকাতা থেকে মাঝারি খরচে পৌঁছনো যাবে দিল্লি। সেই মর্মেই, চালু হতে চলেছে হাওড়া-নয়া দিল্লি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। ট্রেনটি ভারতীয় রেলের ট্র্যাকে ওঠার আগেই প্রকাশ্যে এসেছে তার একাধিক বৈশিষ্ট্য।
15 ঘন্টায় কলকাতা থেকে পৌঁছে যাবেন দিল্লি
এই মুহূর্তে কলকাতা থেকে সরাসরি রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছনোর জন্য একগুচ্ছ এক্সপ্রেস ট্রেন রয়েছে। তবে সেসব ট্রেনে ভাড়া যেমন বেশি, তেমনই সময়ও লাগে অনেকটাই। হাওড়া থেকে নয়া দিল্লি দুরন্ত এক্সপ্রেস 1500 কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করতে সময় নেয় 21 ঘন্টা 55 মিনিট। শিয়ালদা থেকে যেতে গেলেও দুরন্ত ও রাজধানীতেও প্রায় একই সময় লাগে। এছাড়া অন্যান্য ট্রেন গুলিতে সফর করলেও প্রায় একই রকম সময় প্রয়োজন। তবে রেল সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে নয়া দিল্লি পর্যন্ত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হলে সেটিতে চেপে কলকাতা থেকে দিল্লি পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র 15 ঘন্টা।
রেলের তরফে জানানো হয়েছে, হাওড়া থেকে নয়া দিল্লি পর্যন্ত যে নতুন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে সেটি আসানসোল, ধানবাদ, গয়া, প্রয়াগরাজ এবং কানপুরের মতো প্রধান জংশন গুলির মাধ্যমে হাওড়া তথা কলকাতাকে যুক্ত করবে দিল্লির সাথে। রেল আধিকারিকরা আশা করছেন, বন্দে ভারত স্লিপারের পরিষেবা চালু হয়ে গেলে অল্প সময়ে রাজধানীতে পৌঁছানো সম্ভব হবে শহরবাসীর পক্ষে।
অবশ্যই পড়ুন: বিদ্যুৎ না থাকলেও চলবে ১৫ ঘণ্টা, প্রথমবার বাজারে এল ফ্রিজের পাওয়ার ব্যাঙ্ক
হাওড়া-নয়া দিল্লি বন্দে ভারত স্লিপারের কিছু বৈশিষ্ট্য
আর পাঁচটা ট্রেনের থেকে আলাদা হলেও বাকি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের মতোই এই ট্রেনেও থাকবে 16টি কোচ। ট্রেনটিতে এসি ফার্স্ট ক্লাস, এসি টু টায়ার এবং এসি 3 টায়ার মিলিয়ে তিন ধরনের কোচে মোট 823 জন যাত্রী সফর করতে পারবেন। এছাড়াও ভারতীয় রেলের এই ট্রেনটিতে থাকছে কবচ সুরক্ষা প্রযুক্তি, অটোমেটিক দরজা, 24 ঘন্টা সিসিটিভি পরিষেবা, অত্যাধুনিক টয়লেট সহ একাধিক সুবিধা। রেলের কয়েকটি সূত্র বলছে, এই ট্রেনটি একবার চালু হয়ে গেলে বাংলার মানুষের পক্ষে দিল্লি যাওয়া অনেকটাই সহজ এবং আরামদায়ক হবে।










