বাদুড়িয়া পৌরসভা থেকে উদ্ধার টাকার পাহাড়! অভিযোগের তীর তৃণমূল চেয়ারম্যানের দিকেই

Published:

Huge cash found in Baduria

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সদ্য গ্রেফতার হয়েছেন বাদুড়িয়া পুরসভার (Baduria Municipality) চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। আর তাঁর গ্রেফতারির পরই তৃণমূল নেতার বাড়ির পাশের পৌরসভা থেকে উদ্ধার হল বান্ডিল বান্ডিল টাকা। ওই পৌরসভার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের ঘর থেকে নগদ 80 লাখ টাকা উদ্ধার করা গিয়েছে বলেই খবর। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিপুল অর্থ গোনার জন্য শেষ পর্যন্ত আনতে হয়েছে টাকা গোনার মেশিন। যে ঘটনায় নতুন করে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য।

উদ্ধার হওয়া সমস্ত টাকা তৃণমূল নেতার?

জানা গিয়েছে, বাদুড়িয়া পুরসভার তৃণমূল নেতা তথা চেয়ারম্যান দীপঙ্করের বাড়ি যেই ওয়ার্ডে সেই ওয়ার্ডেই রয়েছে পৌরসভা। আর সেই পৌরসভার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে থরে থরে সাজানো ছিল টাকার বান্ডিল। এখন প্রশ্ন, উদ্ধার হওয়ার টাকার মালিক কে? এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা বড় অংশের দাবি, পুরসভার ওই কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে বেশিরভাগ সময় তালা লাগানো থাকতো। আর সেই চাবি রাখতেন খোদ চেয়ারম্যান নিজেই।

ওই সেন্টারের চাবি যেহেতু তৃণমূল নেতা তথা চেয়ারম্যানের কাছে থাকতো, ফলে অনেকেরই অভিযোগ সেখান থেকে উদ্ধার হওয়ার সমস্ত টাকাই ওই চেয়ারম্যানের। প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচতে কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের ঘরে টাকাগুলি লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। জানা যায়, গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাতে ওই কম্পিউটার সেন্টারের সামনে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন স্থানীয়রা। তারপরই তাঁরা দেখতে পান সেন্টারের ঘরের ভেতরে ঢালাও করে সাজানো রয়েছে ত্রিপল। প্রথম ঝলকে পৌরসভার ওই সেন্টারের ভিতরে ত্রিপল দেখতে পেয়ে তড়িঘড়ি থানায় খবর দেন এলাকাবাসী। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেটের তালা ভেঙে ত্রাণ সামগ্রী সহ বিপুল টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

অবশ্যই পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া হোক! দেশ ছাড়তে চেয়ে ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক পত্নী রুজিরা

প্রসঙ্গত, গতকাল রাতে স্থানীয়দের তরফে খবর পেতেই ওই কম্পিউটার সেন্টারের ভেতর থেকে 80 লাখ টাকা উদ্ধার করার পাশাপাশি টাকা গোনার জন্য আলাদা করে মেশিন নিয়ে আসা হয়। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বাদুড়িয়ার এসডিপিও। সঙ্গে যায় কমব্যাট ফোর্সও। তারপরই পুলিশ কর্তাদের থোলেতে করে টাকা উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখা গেল।