প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পাকিস্তানের (Pakistan) শান্তি মিছিলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! খাইবার পাখতুনখোয়ায় মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় (Suicide Blast In Pakistan) নিহত কমপক্ষে ১৪ জন, এবং আহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ২২ এ। ইতিমধ্যেই সেই বিস্ফোরণের ভিডিয়ো সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। জানা গিয়েছে, পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে তদন্ত শুরু করেছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, রবিবার, পাকিস্তানের সোয়াত জেলার কাবাল শহরে একটি ‘শান্তি মিছিল’ এর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানকার আদিবাসী পরিষদ সোয়াত আমান জিরগার উদ্যোগে এই শান্তি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান তুলতে তুলতে মিছিলে হাঁটছিলেন। আর সেইসময়ই আফগানিস্তান সীমান্তের কাছের কাবাল শহরের থানার প্রবেশদ্বারে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। তুমুল চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ঘটনায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের এই খবর পেয়েই গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
কী বলছেন সোয়াতের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল?
জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের পরেই উদ্ধারকারী দল দ্রুত আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পুলিশ। সোয়াতের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ফিদা হুসেন সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন যে, “হামলাকারী বিস্ফোরক ভর্তি জ্যাকেটের বিস্ফোরণ ঘটায়। একজন আত্মঘাতী পুলিশ স্টেশনে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। তবে মূল ফটকেই পুলিশ তাকে আটকে দেয়। এরপরই সে নিজের গায়ে বাঁধা বিস্ফোরক ফাটিয়ে দেয়।” জানা গিয়েছে, পুলিশকর্মীদের উপর হামলা করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: প্রায় প্রতি ঘরেই যমজ সন্তান! ভারতের এই ‘টুইন টাউন’ হার মানিয়েছে বিজ্ঞানকেও
ভয়ংকর বিস্ফোরণের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যা দেখে শিউরে উঠছে নেটিজেনরা। শেষ আপডেট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারী, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।










