ফের উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন কিম জং উন

Published:

Kim Jong Un
Follow

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে (Kim Jong Un) এবার শাসক দল ওয়ার্কার্স পার্টি অফ কোরিয়ার শীর্ষ পদে আরও পাঁচ বছরের জন্য পুনঃনির্বাচিত করল। দলীয় কংগ্রেসে হাজারো প্রতিনিধির সমর্থনে তাঁকে আবারো মহাসচিব পদে (President of North Korea) নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। দলীয় প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের রাজনৈতিক আর সামরিক লক্ষ্য নির্ধারণে কিমের নেতৃত্বই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র ভান্ডার আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধিতে বিরাট জোর

কংগ্রেসের কিম জং উনের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্প্রসারণের বিষয়টি নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিম আগামী দিনে পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানো, প্রচলিত সেনাবাহিনীকে আধুনিকীকরণ করে পারমাণবিক শক্তির সঙ্গে সমন্বয় আর সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করতে পারেন। দলীয় বিবৃতিতে স্পষ্ট দাবি করা হয়েছে, পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধি করে এমন একটি সেনাবাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে, যা যে কোনও ধরনের আক্রমণ বা যুদ্ধের হুমকি মোকাবিলা করতে পারবে।

এদিকে পুনঃনির্বাচনের পর চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কিম জং উনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তর কোরিয়ার অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু ড্রাগনের দেশের এই বার্তা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার উপর বিরাট জোর

এদিকে পারমাণবিক কর্মসূচির পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার বিষয়ে দেওয়া হয়েছে জোর। করোনা পরবর্তী সময়ে সীমান্ত বাণিজ্যে ধাক্কা, বিশেষ করে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য কমে যাওয়ার প্রভাব কাটিয়ে এবার জনমুখী কর্মসূচি আর অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হতে পারে বলে বেশ কয়েকটি রিপোর্টের খবর। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা আর অস্ত্র রফতানির থেকেও কিছু অর্থনৈতিক গতি সঞ্চার হয়েছে। কিন্তু হ্যাঁ, সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে।

আরও পড়ুন: তৃণমূলকে দায়ী করে ‘উন্নত বাংলা’ গড়ার ডাক! রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠি মোদীর

এদিকের দলীয় কংগ্রেসের নিয়মাবলীতে কিছু সংশোধন আনা হয়েছে বলে সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি স্পষ্ট জানিয়েছে। তবে বিস্তারিত কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও কঠোর অবস্থানে বর্ণনা করতে আর দুই কোরিয়াকে পৃথক ও শত্রু থেকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার নীতিকে এবার আরও জোর দেওয়া হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন Join Now