পরিবহণ কর্মীদের DA বাড়াল রাজ্য সরকার, কতটা?

Published:

DA Hike

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলা সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মাঝেই ডিএ বৃদ্ধি (DA Hike) করল সরকার। এক ধাক্কায় ২ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা বৃদ্ধি হল রাজ্য পরিবহণ কর্মীদের। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) থেকে শুরু করে ডিএ নিয়ে অপেক্ষা বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের, তখন অন্যদিকে একটি রাজ্য সরকার এই মহার্ঘ্য ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন সরকার? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

২ শতাংশ ডিএ বাড়ল পরিবহণ কর্মীদের

জানা গিয়েছে, তেলেঙ্গানা স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (Telangana State Road Transport Corporation) কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কোষাগারে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ২.৮২ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে খবর। রাজ্য পরিবহণ মন্ত্রী পোনাম প্রভাকর শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে চলতি আর্থিক বছর থেকে আরটিসি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আএ ডিএ ছিল ৫০.৭ শতাংশ, যা এখন বাড়িয়ে ৫২.৮ শতাংশ করা হয়েছে। এই বর্ধিত ডিএ ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

সরকার সম্পূরক বিলের মাধ্যমে প্রতি মাসে গত তিন মাসের বকেয়া পরিশোধ করবে। এই বৃদ্ধির ফলে আরটিসি-র উপর প্রতি মাসে ২.৮২ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা পড়বে। এর আগে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসেও রাজ্য সরকার ডিএ ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৪৮.৬ শতাংশ থেকে ৫০.৭ শতাংশ করেছিল। মন্ত্রী পোনাম প্রভাকর জানিয়েছেন যে, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে বেতন সংশোধন কার্যকর হওয়ার পর কর্মচারীরা কোনো মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) পাবেন না। মন্ত্রী এবং আরটিসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াই. নাগিরেড্ডি মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির জন্য কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ মিলেছে লাইসেন্স, ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট শুরুর পথে আরেক পা বাড়াল ইলন মাস্ক

বড় ঘোষণা মন্ত্রীর

ডিএ বৃদ্ধির পাশাপাশি আরও কয়েক গুচ্ছ ঘোষণা করেন রাজ্য পরিবহণ মন্ত্রী। মন্ত্রী আরটিসি-র অমীমাংসিত কাজ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিবহন কর্মকর্তাদের (আরএম) সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং কর্মকর্তাদের অমীমাংসিত কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকার কর্পোরেশনের সুরক্ষা, কর্মচারীদের কল্যাণ এবং যাত্রীদের সুবিধার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। কর্মচারী কল্যাণ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি, হাসপাতালের আধুনিকীকরণ, সহানুভূতিমূলক নিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদী কর্মচারীদের পুনঃনিয়োগ, নতুন কর্মচারী নিয়োগ ইত্যাদি। যাইহোক সরকারের এহেন ঘোষণার ফলে অনেকের অর্থ কষ্ট দূর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।