দেড় বছর ধরে চুরি করছিল মহিলাদের অন্তর্বাস! ধরা পড়তেই ‘জামাই আদর’ করল স্থানীয়রা

Published:

Viral Video

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরেই মহিলাদের অন্তর্বাস চুরির অভিযোগ উঠছিল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অবশেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছে সে। এই লজ্জাজনক ঘটনাকে (Viral Video) কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্রের খবর, প্রায় দেড় বছর ধরেই ওই যুবকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বাড়ি থেকে এরকম চুরি ছ্যাঁচড়ামির অভিযোগ আসছিল। কিন্তু এতদিন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া ছিল। অনেকের নজরে বাইরে ছিল ওই অভিযুক্ত। এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।

কীভাবে ধরা পড়ল অভিযুক্ত?

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক মহিলার বাড়িতে ঢুকে অন্তর্বাস চুরি করার সময় ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন বাড়ির লোকজন। তারপর ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই আশেপাশের মানুষজন জড়ো হয়। স্থানীয়দের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক নিজেই এই অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে। তারপরেই তাঁকে আটকে রাখেন এলাকার বাসিন্দারা। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তাঁকে একটি ইলেকট্রিক পোলের সঙ্গে বেঁধে রেখেছেন স্থানীয় মহিলারা।

সবথেকে বড় ব্যাপার, তাঁকে ওই অবস্থাতেই তার চুরি করা অন্তর্বাস অর্থাৎ মেয়েদের ব্রা এবং প্যান্টি পরিয়ে খিল্লি ওড়াচ্ছেন ক্ষুব্ধ মহিলারা। এমনকি এক মহিলাকে তাঁর মুখে কালি লাগিয়ে দিতেও দেখা যাচ্ছে। এবং তিনি মজার ছলে বলছেন, “দেখুন সবাই আমাদের পাড়ার ষ্ট্যাণ্ডার্ড চোর”। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকার প্রত্যকেই। যাদের বাড়ি থেকে এর আগে জিনিসপত্র চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ, তাদের মধ্যে অনেকেই ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ক্রমেই গরম হচ্ছে গঙ্গার জল, লু-তাপপ্রবাহর আশঙ্কা! গবেষণায় চাঞ্চল্য

তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এরকম চুরির ঘটনা চলছিল। বিষয়টি সামনে না আসার কারণে অভিযুক্ত আরও পার পেয়ে গিয়েছিল। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তার কমেন্ট সেকশনে কেউ কেউ লিখছেন, “চোরদের জাত সত্যি কথাই নেমে গিয়েছে।” কেউ লিখছেন, “আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। পুলিশ ডাকুন।” তবে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশি তদন্তের দাবি উঠছে। যদিও অভিযুক্তর কোনও পরিচয় আমরা পাইনি। কিন্তু এটুকু জানা যাচ্ছে যে, এই ঘটনাটি বারুইপুরের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার ভিডিওর উপরেই এই প্রতিবেদনটি লেখা।