সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উপনির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল (Trinamool Congress)। নন্দীগ্রাম ও রাজনগর আসনের উপনির্বাচনের আগে ১০০ জনেরও বেশি নেতা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে (Congress) যোগ দিলেন। মালদা জেলার মহিষ বাথানি এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের শতাধিক নেতা ও কর্মী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, যোগদানকারীদের মধ্যে ১৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য, সেইসাথে আঞ্চলিক দলীয় সভাপতি এবং ব্লক সহ-সভাপতিরাও রয়েছেন।
তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন শতাধিক নেতা
রাজ্যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আবহে এহেন দলত্যাগের ঘটনা নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটা এই দলত্যাগ রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার বলরামপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নেতা ও কর্মীরা কংগ্রেসে যোগদান করেন। এই অনুষ্ঠানে জেলা কংগ্রেস সভাপতি, রাজ্য কংগ্রেস সহ-সভাপতি ও প্রাক্তন বিধায়ক বি. হালদারসহ স্থানীয় দলীয় পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন। এই দলত্যাগ মালদা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল মহিষ বাথানি
উল্লেখ্য, মহিষ বাথানি এলাকা একসময় কংগ্রেস প্রভাবাধীন এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাব বাড়ার পর এখানকার রাজনৈতিক চিত্র আমূল বদলে যায়। এখন স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের কংগ্রেসে যোগদানের ফলে এই এলাকায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি ফিরে পাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যকার সংঘাতও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
আরও পড়ুন: ফোন, OTP ছাড়াই একই পরিবারের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব ২১ হাজার, শোরগোল ব্যান্ডেলে
কেন এরকম দলত্যাগ?
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া শরফত আলী তাঁর দলবদলের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের মতো একটি আঞ্চলিক দলের পক্ষে বিজেপির বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করা কঠিন। তাই বিজেপির মোকাবিলা করার জন্যই তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর। শুভেন্দু অধিকারী আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি বর্তমানে শূন্য হয়েছে। অন্যদিকে, রেজিনগর কেন্দ্রের আসনটি শূন্য হওয়ায় সেখানেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে বিভিন্ন দল তাদের প্রার্থী দিয়েছে।










