“আইন সকলের জন্য সমান” হুমায়ুনের গ্রেফতারি নিয়ে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়েছে রাজনীতির পারদ। হেভিওয়েট এই দুই বিধানসভায় সকাল থেকেই ছড়িয়েছে উত্তেজনা। কোথাও ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও বিধায়ককেই করা হচ্ছে গ্রেফতার। নিজের বিধানসভা নন্দীগ্রামে আজ টোটোতে চড়ে ভোট দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে আজ নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারের পাশাপাশি দিলেন হুমায়ুন কবীরকে কড়া হুঁশিয়ারি।

হুমায়ুনকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

সকালে রেজিনগরে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। প্রভাব খাটিয়ে ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলেই অভিযোগ তোলেন তিনি। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পর্যন্ত জড়িয়ে পড়েন নওদার বিধায়ক। তবে তৎক্ষণাৎ তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করেন হুমায়ুন। এর আগেও প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছিলেন তিনি। যদিও পরে তা নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করেন। তবে আজ মাত্রা একধাপ ছাড়িয়েই ফেললেন এজেইউপি নেতা।

আজ সকাল ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ শান্তিকুঞ্জ থেকে ভোট দেওয়ার জন্য বের হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কনভয় থেকে নেমে টোটোতে চড়েই পৌঁছন ভোটকেন্দ্রে। ভোট দেওয়ার পর বুথে দাঁড়িয়েই বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “উপনির্বাচনে সাধারণত ভোট কম পড়ে। তবে নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। আমি মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি নিরাপত্তা পাই। আইন সকলেরই মেনে চলা উচিত। আমি ভোট দেওয়ার পর ভাড়া ঘরে থাকতে পারি। বুথের বাইরে যাওয়া বা প্রচার করার সুযোগ নেই। আমি সেসব করব না।” পাশাপাশি শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত নন্দীগ্রামের ভোটারদের পাশে থাকার অঙ্গীকার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: “স্লিপ কেড়ে নিচ্ছে বিজেপির লোকজন” ভোট না দিয়ে বাড়ি ফিরলেন নন্দীগ্রামের মহিলারা

যদিও ভবানীপুর কেন ছাড়লেন তা ব্যাখ্যা করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি রেজিনগর প্রসঙ্গেও আজ মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সকলে রেজিনগরে পুলিশের হুমকি, সমর্থকদের মুগুর নিয়ে রাস্তায় নামানোর আহ্বান ও প্রার্থী না হয়ে বুথে ঢোকার উত্তেজনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় হুমায়ুনকে। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “নওদার বিধায়ক নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছিলেন। আইন ভাঙার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন সকলের জন্য সমান।”

google button