কালীপুজোর আগেই পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি? রাজ্যের কাছে বড় প্রস্তাব কমিশনের

Published:

Municipal Elections

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: উপনির্বাচন মিটতেই এবার পুরভোট (Municipal Elections) নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় তথ্য। কালীপুজোর আগেই রাজ্যের দুই পুরনিগম এবং ছ’টি পুরসভার ভোট নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জানা গিয়েছে রাজ্যের সম্মতি পেলেই নাকি আগামী ২৮ নভেম্বর পুরভোটের আয়োজন করতে চায় কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোটের প্রস্তুতিও নাকি শুরু হয়ে গিয়েছে কমিশনের তরফে। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অন্দরে।

পুরভোটের প্রস্তুতি কমিশনের

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল বুধবার পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য সরকারের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্তা। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের সচিব খলিল আহমেদ। আসলে রাজ্যে পুরভোট আয়োজনের সমস্ত দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশন সামলালেও, প্রশাসনিক পরিকাঠামো ও আইনশৃঙ্খলার ওপর নজর রেখে নবান্নের সঙ্গে বৈঠক করেই যাবতীয় প্রস্তুতি ও তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তাই গতকাল সেই বৈঠক দু’দফায় অনুষ্ঠিত হয়। এদিন নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ বাহিনী এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

২৮ নভেম্বর হতে পারে ভোটগ্রহণ

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে দু’দফার বৈঠকে কমিশন ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ এবং ২ ডিসেম্বর গণনার প্রস্তাব দিয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্য চাইলে ২৭ অক্টোবর বা তারপরে ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারে। তবে এখনও এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। যদি সরকারের সম্মতি থাকে তাহলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে কমিশন। অন্যদিকে পুলিশ বাহিনীর চাহিদা সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত রিপোর্টও রাজ্য পুলিশের কাছে চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার।

আরও পড়ুন: ব্যবসার সুবর্ণ সুযোগ! শিয়ালদহ ডিভিশনে ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ স্টলের আবেদন শুরু রেলের

অন্যদিকে অতীতের ঘটনার কথা মাথায় রেখে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ কোন পুরসভায় কত স্পর্শকাতর এলাকা রয়েছে, তার ভিত্তিতেই তৈরি হবে নিরাপত্তার নকশা। পুরভোটের জন্য প্রাথমিক হিসেবে ৩৮ হাজার ভোটকর্মী দরকার বলে অনুমান করা হচ্ছে, যদিও সেই সংখ্যা পরে বাড়তে পারে। এদিকে কলকাতা এবং হাওড়া পুরনিগম ছাড়াও ভোট হওয়ার কথা বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং পুরসভায়। কিন্তু সকলের নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার ওপর।

google button